মঙ্গলবার , ০২ জুন ২০২৬
Tuesday , 02 June 2026
২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

ইসলামাবাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব দেশের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক

ইসলামাবাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব দেশের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক

অন্তবর্তী সরকারের পথেই বর্তমান সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপনে মরিয়া। কিন্তু একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গে প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বন্ধুত্বে বাড়তি উৎসাহ দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করছেন অনেকেই। মনে রাখতে হবে একাত্তরের গণহত্যার জন্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি ইসলামাবাদ। বরং বিভিন্ন আলোচনায় উঠে এসেছে, পাকিস্তানি সেনা এখনও একাত্তরের বদলা নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে। বাংলাদেশের মাটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে নিজেদের পরাজয় তারা মেনে নিতে পারছে না। তাই পাকিস্তানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা পাকিস্তানি বায়ু সেনার শীর্ষকর্তাদের ঢাকা সফর নিয়ে অনেকেই আতঙ্কিত।  

তোফায়েল আহমেদের বিদায় ও রাষ্ট্রীয় সংকীর্ণতা: শিষ্টাচারের মহীরুহের সামনে এক অবক্ষয়ের আয়না

তোফায়েল আহমেদের বিদায় ও রাষ্ট্রীয় সংকীর্ণতা: শিষ্টাচারের মহীরুহের সামনে এক অবক্ষয়ের আয়না

একটি স্বাধীন দেশের ইতিহাস কেবল কিছু জড় ইমারত, নথিপত্রের স্তূপ কিংবা ক্ষমতার পালাবদলের খতিয়ানে বেঁচে থাকে না। ইতিহাস মূলত প্রাণ পায় সেই সব মানুষের হাত ধরে, যাঁরা নিজেদের জীবনকে একেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ে রূপান্তর করেছেন। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের তেমনই এক অনন্য ও জীবন্ত বাতিঘর। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক এই কিংবদন্তি জননেতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি গৌরবোজ্জ্বল লড়াইয়ের এই প্রধান সাক্ষী যখন চিরবিদায় নেন, তখন পুরো জাতি এক গভীর শূন্যতা অনুভব করে। কিন্তু সেই শূন্যতাকে ছাপিয়ে দেশের সচেতন মানুষকে আজ সবচেয়ে বেশি পীড়িত ও লজ্জিত করছে তাঁর বিদায়লগ্নে রাষ্ট্রের, বিশেষ করে বর্তমান নীতিনির্ধারকদের চরম উদ্যোগহীনতা, উদাসীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্লিপ্ততা।

বিস্তারিত

তোফায়েল আহমেদের বিদায় ও রাষ্ট্রীয় সংকীর্ণতা: শিষ্টাচারের মহীরুহের সামনে এক অবক্ষয়ের আয়না

তোফায়েল আহমেদের বিদায় ও রাষ্ট্রীয় সংকীর্ণতা: শিষ্টাচারের মহীরুহের সামনে এক অবক্ষয়ের আয়না

একটি স্বাধীন দেশের ইতিহাস কেবল কিছু জড় ইমারত, নথিপত্রের স্তূপ কিংবা ক্ষমতার পালাবদলের খতিয়ানে বেঁচে থাকে না। ইতিহাস মূলত প্রাণ পায় সেই সব মানুষের হাত ধরে, যাঁরা নিজেদের জীবনকে একেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ে রূপান্তর করেছেন। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের তেমনই এক অনন্য ও জীবন্ত বাতিঘর। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক এই কিংবদন্তি জননেতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি গৌরবোজ্জ্বল লড়াইয়ের এই প্রধান সাক্ষী যখন চিরবিদায় নেন, তখন পুরো জাতি এক গভীর শূন্যতা অনুভব করে। কিন্তু সেই শূন্যতাকে ছাপিয়ে দেশের সচেতন মানুষকে আজ সবচেয়ে বেশি পীড়িত ও লজ্জিত করছে তাঁর বিদায়লগ্নে রাষ্ট্রের, বিশেষ করে বর্তমান নীতিনির্ধারকদের চরম উদ্যোগহীনতা, উদাসীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্লিপ্ততা।