শুক্রবার , ১০ জুলাই ২০২৬
Friday , 10 July 2026
২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

নদীর পানি সমস্যার সমাধানে একমাত্র পথ আলোচনা

নদীর পানি সমস্যার সমাধানে একমাত্র পথ আলোচনা

ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন যৌথ নদীগুলোর পানি সমস্যা মেটাতে আলোচনাই একমাত্র পথ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের এই সমস্যার জট কাটতে পারে। দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান দ্বিপাক্ষিক স্তরেই মিটবে। আলোচনার মাধ্যমে অতীতে আমরা বহু বড় বড় সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছি। তাই তিস্তা বা গঙ্গার পানি নিয়েও সমস্যার সমাধানে সরকার আত্মবিশ্বাসী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারতের তার প্রথম সরকারি সফরেই বলেছিলেন, ‘ন্যায্যতা ও জলবায়ু সহনশীলতার ভিত্তিতে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তিটি হবে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য প্রথম পরীক্ষা’। চলতি বছরেই সেই পরীক্ষার ফল মিলতে পারে।

তোফায়েল আহমেদের বিদায় ও রাষ্ট্রীয় সংকীর্ণতা: শিষ্টাচারের মহীরুহের সামনে এক অবক্ষয়ের আয়না

তোফায়েল আহমেদের বিদায় ও রাষ্ট্রীয় সংকীর্ণতা: শিষ্টাচারের মহীরুহের সামনে এক অবক্ষয়ের আয়না

একটি স্বাধীন দেশের ইতিহাস কেবল কিছু জড় ইমারত, নথিপত্রের স্তূপ কিংবা ক্ষমতার পালাবদলের খতিয়ানে বেঁচে থাকে না। ইতিহাস মূলত প্রাণ পায় সেই সব মানুষের হাত ধরে, যাঁরা নিজেদের জীবনকে একেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ে রূপান্তর করেছেন। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের তেমনই এক অনন্য ও জীবন্ত বাতিঘর। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক এই কিংবদন্তি জননেতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি গৌরবোজ্জ্বল লড়াইয়ের এই প্রধান সাক্ষী যখন চিরবিদায় নেন, তখন পুরো জাতি এক গভীর শূন্যতা অনুভব করে। কিন্তু সেই শূন্যতাকে ছাপিয়ে দেশের সচেতন মানুষকে আজ সবচেয়ে বেশি পীড়িত ও লজ্জিত করছে তাঁর বিদায়লগ্নে রাষ্ট্রের, বিশেষ করে বর্তমান নীতিনির্ধারকদের চরম উদ্যোগহীনতা, উদাসীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্লিপ্ততা।